|
RIBA-এর আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কার ২০২৬-এ বাংলাদেশের দুটি প্রকল্প বিশ্বের ১৫টি দেশের ৩৪টি সেরা প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়েছে। এই পুরস্কারগুলো এমন স্থাপত্যকর্মকে স্বীকৃতি দেয়, যা সমাজ, পরিবেশ ও নগরজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্থাপত্যের ক্রমবর্ধমান সাফল্যকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। |
|
|
স্থপতি সাইকা ইকবাল মেঘনা ও স্টুডিও মরফোজেনেসিস লিমিটেডের নকশায় নির্মিত সাভারের ‘জেবুন নেসা মসজিদ’টি আধ্যাত্মিক চর্চা, সামাজিক যোগাযোগ এবং সবার জন্য ব্যবহারযোগ্য একটি স্থান হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে গড়ে তোলা এই প্রকল্পটি মানবকেন্দ্রিক স্থাপত্যচর্চার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে গড়ে তোলা এই প্রকল্পটি মানবকেন্দ্রিক স্থাপত্যচর্চার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। |
|
WOHA (সিঙ্গাপুরের একটি স্থাপত্য ডিজাইন প্রতিষ্ঠান) -এর নকশায় নির্মিত ঢাকার ‘ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস’ও পরিবেশবান্ধব ও মানুষের প্রয়োজনের প্রতি সচেতন স্থাপত্যের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছে। অব্যবহৃত একটি জায়গাকে প্রাণবন্ত শিক্ষাঙ্গনে রূপান্তরিত করে এই প্রকল্পটি নতুন ধরনের শিক্ষা অবকাঠামোর একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। |
|
|
বাংলাদেশের স্থাপত্যের সৃজনশীলতাগুলো এ ধরনের পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে স্বীকৃতি পায়। একইসঙ্গে বোঝা যায়, পরিবেশবান্ধব ও সকলের জন্য উপযোগী স্থাপত্যচর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থপতিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। |
| প্রতিবেদক: স্থপতি ফাইজা ফাইরুজ |