শিল্পসাধনা

স্থাপত্য ও নির্মাণ
তত্ত্ব
৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
১,১৯৬
শিল্পসাধনা

শিল্পী নন্দলাল বসুর সাথে মায়াবতী অদ্বৈত-আশ্রমের পবিত্রানন্দ স্বামীজির এই আলাপ-আলোচনা স্বামীজি ইংরেজিতে অনুলিখন করিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত করেছিলেন, পরবর্তীকালে বিশ্ব-ভারতীয় থেকে বাংলায় অনুবাদ করে প্রকাশিত হয়। শিল্পীর এই কথামৃত হারিয়ে যাবার ভয়ে আমরা ওয়েব-সাইটে তুলে দিলাম।
-সম্পাদক

নন্দলাল বসু

উপনিষদ বলে, আনন্দ থেকেই সমস্ত বিশ্বভুবনের উৎপত্তি হয়েছে। সেই আনন্দ সমস্ত সুখদুঃখ নিয়ে অথচ সুখদুঃখের অতীত।আর্টিস্টও সৃষ্টি করে সৃষ্টি করার আনন্দে। কোনো শিল্পবস্তু যথার্থ সৃষ্টির পর্যায়ে পড়ল কি না তার বিচারও হয় ঐ থেকে। আনন্দ থেকে যদি কোন একটি চিত্র বা মূর্তির উদ্ভব হয়ে থাকে, অন্যকেও তা আনন্দের স্বাদ দেবে। প্রকৃত শিল্প-সৃষ্টি জীবন্ত, তার মৃত্যু নেই। যদি অজন্তা-ইলোরার সমস্ত চিত্র ও মুর্তি নষ্ট হয়ে যায়, আসলে তবুও তার নাশ নেই। কারণ, রসিকের চিত্তে তখনো তা অমর হয়ে থাকবে। যদি একজন আর্টিস্টও তা দেখে থাকে, তারই কাজের ভিতরে তার প্রভাব, তার সত্তা কাজ করবে। অর্থাৎ, দাঁড়ালো এই যে, শিল্প যেহেতু সৃষ্টি, সেহেতু তা জীবধর্মী। জীবেরই মতো তার অস্তিত্বের ধারা পুরুষানুক্রমে বয়ে চলে।…

অনেক কাল আগে আচার্য প্যাট্রিক গেডিস শান্তিনিকেতন-আশ্রমে এসেছিলেন। তখন আমরা দেয়ালে ছবি আঁকবার চেষ্টা করছিলাম;ঠিকমত উপকরণের অভাবে ও করণকৌশল ভালোরকম না জানাতে অল্প কাল পরে সে চেষ্টা ছেড়ে দিই। আচার্য গেডিস তা দেখে দুঃখিত হলেন। তিনি বললেন, ‘আঁকবে না কেন ? যদি কাঠকয়লা দিয়েও আঁকো, আর সে ছবি ভালো হয়, যদি একজন লোকও তা দেখে, তা হলেই তোমার কাজ করা সার্থক হয়েছে। নিরুদ্যম হয়ে যদি বসে থাকো, তোমার ভাব কল্পনা যা-কিছু তোমার ভিতর জেগে উঠে তোমাতেই লয় পাবে ; তুমিও তা ভালো করে জানবে না, অন্যেও তা অগোচর থাকবে।…

সকল শিল্পে লক্ষ্য এক। কবিতা, মূর্তি, চিত্র, নাচ, গান, সবই সৃষ্টির মূল আনন্দের ছন্দকে আপন আপন ছন্দে ধরতে চায়। সে হিসাবে যোগ-সাধনার সঙ্গে মিল আছে। অধ্যাত্ম-সাধনায় সৃষ্টির সমুদয় বৈচিত্র্যের অন্তরালে ঐক্য সন্ধান করা হয়-একের সন্ধান করা হয় যাকে জানলে সব-কিছুকেই জানা যায়। শিল্পও ঠিক ঐ ভাবে বিরাট একের সন্দর্শন-মানসে চলেছে। এক চীনা আর্টিস্ট্ বলেছেন, ‘দেবতার মূর্তি আর দূর্বার অঙ্কুর, যথার্থ আর্টিস্টের নিকট দুইয়ের একই মূল্য; একই রসপ্রেরণা জাগাবার শক্তি উভয়েই ধরে।’ এতেই বোঝা যায়, শিল্পীর পক্ষে একের ধারণা করা কতখানি সম্ভব। অবশ্য, দেবমূর্তির প্রতি অশ্রদ্ধার কোনো কথা হচ্ছে না, কেবল দূর্বার অঙ্কুরের
প্রতিও সমান শ্রদ্ধা প্রয়োজন।…

শিল্পসাধনায় শিল্পী সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত হয়ে যায়। আর্টিস্টের নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, আকাঙ্খা, সংস্কার, সবই আছে। কিন্তু এই মুহুর্তে সে একটি ভাবের আবেগে বিচলিত হচ্ছে আর পরমুহূর্তেই সৃষ্টি করতে বসে নিজের আবেগ থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিচ্ছে ; তখন বিষয়ে-বিজড়িত তার নিজের কোনো আকাঙ্খা বা আসক্তি থাকছে না, ব্যক্তিগত উপলব্ধির তীব্রতা নৈর্ব্যক্তিক রূপ ধরছে। সৃষ্টির সময় শিল্পী নিজের ব্যক্তিত্বের ঊর্ধ্বে চলে যায় এবং তার বিষয়ও আবেগ থেকে, ইমোশন থেকে, রসে গিয়ে পৌঁছয়।
আর্টিস্ট্ হৃদয়বিদারক দৃশ্যও আঁকে, আবার মনোমুগ্ধকর বিষয়ের ছবিও করে। কিন্তু, উভয়ের কিছুতেই লিপ্ত বা বিচলিত হয় না। শিল্পী সুখকর বা দুঃখকর আবেষ্টনের ঊর্ধ্বে উঠে উভয়ের মূলে সত্তার যে আনন্দ বা রস আছে তারই বিগ্রহ সৃষ্টি করে। রসের দিক থেকে সৃষ্টি করা না হলে, রসে না পৌঁছলে, রচনা বিকৃত হয় সুখে বিকৃত, দুঃখে বিকৃত। কাজেই দেখা যায়, সাধকেরও যে ধারা শিল্পীও তাই; উভয়েই নিজের নিজের পথ ধরে লাভ করে সর্বগত এক বিশুদ্ধ আনন্দ। অন্য উপাসনা বা ব্রত আচার পালন না করলেও শিল্পী নিজের কলাকৌশলযোগেই সাধনা করে থাকে।…

একটা বিশেষ দৃষ্টান্ত ধরা যাক। কালীমূর্তি বা নটরাজ শিবের মূর্তি যার ধ্যানে প্রথম এসেছিল সে ব্যক্তি শিল্পী, সাধক হলেও সে শিল্পী; যার হাতে প্রথম আকার লাভ করেছিল সে ব্যক্তি শিল্পী হলেও সাধক। কারণ, দুজনেই একটি কোনো রসের ভিতর রঙ রূপ গতি ও ছন্দের বিগ্রহ বা সমষ্টিরূপ সৃষ্টি করেছে, অথবা তা সৃষ্ট হয়েছে দুজনেরই মনে।…
সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে মিলিয়ে সুনীতি দুর্নীতির ভেদ টেনে আনা শিল্পের ক্ষেত্রে অনাবশ্যক। কারণ, সামাজিক সংস্কারের যা নিন্দনীয় তাই হয়তো শিল্পীকে রসবোধ উদ্বোধিত করে এমন-কিছু রচনা করাতে পারে যা শিল্প হিসাবে অন্য হাজার হাজার লোককে সংস্কারবদ্ধ খন্ডিত ধারণার ঊর্ধ্বে বিশুদ্ধ রসোপলদ্ধিতে নিয়ে যাবে। বিষয়বিশেষকে লোকে বলুক দুষ্ট কিন্তু মায়াবী তুলির স্পর্শে তাতে বিষয়াতীত এমন-কিছু ফুটে উঠবে যা অভিনব। যে দেখে বা যে অনুভব করে সেই বিষয়ীর দৃষ্টিভঙ্গির ইতরবিশেষে ও চেতনার তারতম্যেই নির্ভর করে  বিষয়টি সুনীতি-দুর্নীতির স্তরেই থেকে যাবে না তার ঊর্ধ্বে উঠবে। উপনিষদে তো আছে আত্মার দ্বারাই রূপ রস গন্ধ শব্দ স্পর্শ ও মৈথুনের উপলব্ধি হয় ; এ জগতে এমন কী আছে যা আত্মা জানে না। সুতরাং বিষয়বিশেষে দোষ বা গুণ নেই। সৃষ্টা সততই যে বিশুদ্ধ আনন্দ বা রসের ভিতর দিয়ে জানেন, শিল্পীও যদি সেই আনন্দ বা রসের ভিতর দিয়ে জানে, শিল্পীও যদি আনন্দ বা রসের দৃষ্টিতেই বিষয়কে দেখে ও সৃষ্টি করে, তা হলে বিষও অমৃতত্বের পরিচয় প্রদান করে। বিষয়বস্তুর মোহেই যে-আর্টিস্ট্ ভোলে বিষয়বস্তুকে তার রসবস্তুতে পরিণত করা হয় না  বাহ্যবস্তু বা ঘটনাই পাওয়া যায়, রসের ভিতরে মন বিস্তার বা মুক্তি পায় না। রোগের চেয়ে রোগীর প্রতি যখন ডাক্তারের নজর থাকে বেশী, আরোগ্য হয় দুর্লভ। তবু আবার প্রশ্ন ওঠে, সামাজিক হিসাবে দুর্নীতিপূর্ণ যা তাকেই বিষয়-বস্তু করলে সমাজের কিছু কি অনিষ্ট হয় না ? আমার বক্তব্য এই, শিল্পীর রচনা যেখানেই সার্থক হয়েছে সেখানেই আবেগ রসে পরিণত হয়েছে, খন্ড উপলব্ধি একটি অখন্ডের ছন্দে ধরা পড়েছে ; তাতে শিল্পীও যেমন রসিক দর্শকও তেমনি খন্ডিত বস্তু বা ঘটনা থেকে, মানসিক অভ্যাস ও সামাজিক সংস্কার থেকে, সম্পূর্ণ মুক্ত হয়েছে ; অত্যন্ত গৌণভাবেও এর ফল হল সামাজিক শুভই, অশুভ নয়। অবশ্য, এমন রুগ্ণ মন আছে, এমন অনেক বয়স্ক শিশুও দেখা যায়, যারা উপলক্ষস্বরূপ জিনিসটিকেই দেখতে পায়, রসের আবেদন তাদের কাছে নিস্ফল। এদের অপরিণত বা বিকৃত মতির উপযোগী করে শিল্পসৃষ্টি করা চলে না ; রবং অন্যভাবে চেষ্টা করা ভালো, ক্রমে এদের বোধ, এদের দৃষ্টি, যাতে সুস্থ ও পরিণত হয়।… কিছুকাল পূর্বে পুরী ও কোনারকের মন্দিরের বহির্ভিত্তিস্থিত বন্ধকাম মূর্তিগুলি নষ্ট করবার কথা হয়েছিল। অত্যন্ত সাংঘাতিক প্রস্তাব !

ঐগুলি গেলে শিল্পসৃষ্টির কতকগুলি শ্রেষ্ঠ নিদর্শনই চলে যায়। নিশ্চয় করে বলতে পারি নে, পুরী ও কোনারকের ভাস্কর শিল্পী কেন এমন বিষয় নির্বাচন করেছিল। বিভিন্ন মনীষী বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। মানুষের জীবনে যে নবরসের লীলা এটি তার অন্যতম রস আদি রস। এ কথা নিঃসংশয়ে বলা যায় যে, রসসৃষ্টি হিসাবে উক্ত মূর্তিগুলি খুবই উচ্চ শ্রেণীর।…
শিল্পীর চিত্তবৃত্তি ভিন্ন সময়ে ভিন্ন আবেগে দোলায়িত হয়। এমন দেখা যায়, একই শিল্পীর কোনো-একটি রচনা থেকে রসিকের মনে দিব্যভাব জেগে উঠল, অন্য রচনা হল নিচু ধরনের। লোকে বিস্মিত হয়। কিন্তু, বিস্ময়ের কোনো কারণ নেই ; পরিবেশের পরিবর্তনে, মানসিক অবস্থার পরিবর্তনে, একই শিল্পী ভিন্ন মানুষ হয়ে ওঠে। রস উপলব্ধি ক’রে, ছন্দের রহস্য জেনে, যে মুহূর্তে শিল্পী সৃষ্টি করে, সে মুহূর্তে মানুষের লভ্য সব চেয়ে উন্নত অবস্থাই তার আয়ত্তের মধ্যে ; কিন্তু সব সময়ে তা হয় না। ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে পড়ে মাঝে মাঝে স্মৃতিভ্রংশ ঘটে। সমস্ত জীবনই আনন্দের ছন্দে ছন্দোময় হবে, আসলে এটাই শিল্পীর সাধনা হলেও, সব সময়ে সিদ্ধ হয় না।…

অদ্বৈতের সাধনায় পরম উপলব্ধিতে পৌঁছতে হলে ভিন্ন ভিন্নঅবস্থা অতিক্রম করে উঠতে হয়। আর্টিস্টের আত্মবিকাশও হয় ঐ ভাবেই। কিন্তু, অদ্বৈতবাদী মনে করতে পারেন, সাধনার পথে যা-কিছু ছেড়ে যেতে হবে তা অনিত্য, তা তুচ্ছ ; তাই নিয়েই শিল্পসৃষ্টি করা অর্থ কী ? শিল্পীর উত্তর হল এই যে, শিল্পের সৃষ্টি হচ্ছে মায়াকে আশ্রয় করে। মায়া স্রষ্টাকে অভিভূত করে না। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ উপমাচ্ছলে বলেছেন, সাপের বিষ সাপকে লাগে না। শিল্পীও মায়াকে জেনে মায়ার ব্যবহার করেন ব’লেই তা হয়ে ওঠে লীলা। আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছই হোক আর উচ্ছই হোক, অনিত্যই হোক আর নিত্যই হোক, সবের ভিতরে অনুস্যূত একের ঐক্যটিকে অনুভব করা ও প্রকাশ করাই শিল্পীর সাধনা, শিল্পীর সিদ্ধি। বিষয়ের মোহে পড়লেই ভয়ের কারণ। সেই হল মায়ার দাসত্ব। শিল্পী মায়াকে দেখে একের মধ্যে বিচিত্র ছন্দের দোলা-রূপে।…

যে আর্টিস্টের সমতার বোধ ও সমগ্রতার বোধ হয় নি তারই বিশেষ বিষয় চাই, বিশেষ বেদনা চাই। তার অভাব হল তো তার প্রেরণার উৎস শুকিয়ে গেল, কেননা, রসের চির-উৎসারের খোঁজ মেলেনি।…
হিন্দুঘরে জন্মে হিন্দুর শিক্ষাদীক্ষায় আমি মানুষ হয়েছি। এক কালে বিশেষ করে দেবদেবীর ছবিই এঁকেছি। এখন কিন্তু দেবতার ছবি যেমন আঁকি সাধারণ জীবনের ছবিও তেমনি এঁকে থাকি ; উভয়েতেই সমান আনন্দ পেতে যত করি। দেবতার রূপকল্পনাই উঁচুদরের জিনিস, আশপাশের সাধারণ জিনিসের রূপ তুচ্ছ-এই ধারণা পূর্বে ছিল। মনের পরিণতির সঙ্গে সঙ্গে রূপকেই আর প্রধান করে দেখিনে ; তাদের প্রত্যেকটিকে একই সত্তার বিভিন্ন ছন্দ ও বিগ্রহ হিসাবে দেখি। সমুদয় জগৎ, অন্তরে বাহিরে সকল রূপ যে প্রাণ থেকে নিঃসৃত এবং যে প্রাণে স্পন্দমান সত্তার সেই প্রাণছন্দকেই খুঁজি সমস্ত রূপে কী সাধারণ আর কী অসাধারণ। অর্থাৎ, পূর্বে দেবত্ব দেবতার রূপেই দেখতাম, এখন দেখতে যত করি মানুষে, গাছে, পাহাড়ে।…
সব দেশে সব যুগে বড়ো আর্টের পিছনে বড়ো আদর্শ বা বড়ো আইডিয়া থাকে। যেমন ইউরোপে ছিল খৃস্টের আদর্শ, ভারতে ছিল শ্রীকৃষ্ণ ও বুদ্ধের, চীনে তও। ব্যক্তিকে আইডিয়ার বিগ্রহরূপে পূজা করতে থাকলে, কালে আইডিয়া থেকে ব্যক্তি বড়ো হয়ে ওঠে ; ক্রমে আইডিয়াকে মানুষ ভুল বোঝে বা ভুলে যায় ; পারিপার্শ্বিক জীবনে অনুরাগরঞ্জিত চেতনার আলো পড়ে না, তা উপেক্ষিত হয়। আমাদের দেশে তাই হয়েছে। কালে কালে প্রকৃতির মধ্যেই সাধকেরা কালীমূর্তি শিবমূর্তি দেখেছে ; আমরা সেই বিশাল প্রকৃতিকে দেখতেই ভুলে গেছি। ঈশা বাস্যমিদম্ সর্বং যৎকিঞ্চ জগত্যাং জগৎ উপনিষদের এই মন্ত্রের দীক্ষা নিয়ে ভারতের ভাবী শিল্পকলা সমস্ত জীবনকে আর সমস্ত জগৎকে সত্য দৃষ্টিতে দেখবে, নতুন করে সৃষ্টি করবে। যেন রূপং রসং গন্ধং শব্দান্ র্স্পশাংশ্চ মৈথুনান্এ তেনৈব বিজানাতি কিমত্র পরিশিষ্যতে। উপরে শ্রীঅরবিন্দের ইংরেজী অনুবাদ-অনুযায়ী শ্লোকের বাংলা অর্থ দেওয়া হয়েছে। ঐগুলিকে দুর্নীতিপূর্ণ না বলে আদিরসাত্মক বলা উচিত। শিল্পবস্তুর শ্রেনীবিভাগ সম্ভব নীতির দিক থেকে নয়, রসের দিক থেকে। রসের ব্যভিচার ঘটালেই শিল্পের পক্ষে তা ‘দুর্নীতি’। রসের ব্যভিচার ঘটিয়ে ‘শিল্প’কে সামাজিক সুনীতি-প্রচারেও লাগানো যায়; যথার্থ শিল্পসৃষ্টি তা নয়।
যদিদং কিঞ্চ জগৎ সর্বং প্রাণ এজতি নিঃসৃতম্ ।
ঈশোপনিষদের প্রথম শ্লোকার্ধ। শ্রীঅরবিন্দকৃত
অর্থ: জগতের অন্তরে যে-কিছু জগৎ পরমেশ্বরের আবাসমন্দির বলে জানবে।

আপনার মতামত দিন

কমেন্ট

Logo
Logo
© 2024 Copyrights by Sthapattya o Nirman. All Rights Reserved. Developed by Deshi Inc.