২০২৬ সালের প্রিৎজকার আর্কিটেকচার প্রাইজ বিজয়ী
‘ফ্রেমওয়ার্ক’ আর্কিটেকচারাল কনসাল্টেন্টের ‘মেঘরোদ’ প্রকল্পটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়, যা প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মিশে যায় এবং একই সঙ্গে বর্তমানের শহুরে জীবনের প্রয়োজনীয় আরামও নিশ্চিত করে।
শেলটেক (প্রাঃ) লিঃ ও নির্ণয় উপদেষ্টা লিঃ নির্মিত ‘খান জাহান আলী হল’টি তার নির্মাণশৈলীর কারণে সে সময়ের একটি সফল স্থাপত্য হিসেবে ধরা যায়। হোস্টেল ভবনের নকশায় নতুন ভাবনা আনার ক্ষেত্রে ‘খান জাহান আলী হল’ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হতে পারে।
ভেনিস আর্কিটেকচার বিয়েনালে, বৃহৎ পরিসরে স্থাপত্যকে উপস্থাপন এবং বোঝার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম। এবারের আসরের লক্ষ্য হলো বর্তমান বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে স্থাপত্যের ভবিষ্যৎ নতুনভাবে ভাবা, বিশেষ করে স্থায়িত্ব (সাস্টেইনেবিলিটি) এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থাপত্যের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
‘কালীঘাটের পটচিত্র’ শুধুমাত্র ভারতবর্ষের আরেকটি লোকচিত্র নয়, ভারতের একটি সময়কালের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য সমাজ চিত্র।
নঁওগার কুসুম্বা মসজিদ (বাংলার কালো রত্ন)
‘স্থাপত্য ও নির্মাণ’-এর 'ব্যাক্তিত্ব' ক্যাটাগরিতে বিশ্বের স্বনামধন্য স্থপতিদের জীবনাদর্শন এবং তাদের উল্লেখযোগ্য কাজগুলো তুলে ধরা হয়। সম্প্রতি ২০২৬ সালের প্রিৎজকার পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন চিলির স্থপতি স্মিলিয়ান রাদিচ ক্লার্ক। আমরা তার জীবনাদর্শন এবং কিছু উল্লেখযোগ্য কাজের বর্ণনা ‘স্থাপত্য ও নির্মাণ’-এ দুটি পর্বে তুলে ধরছি।
স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ হারুন উর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে পেশাগতভাবে কাজ করছেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বহু মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন। তার সাথে স্থাপত্য ও নির্মাণের পক্ষ থেকে স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ কে. জেড. হোসেন তৌফিকের এই সাক্ষাৎকারটি পত্রিকার ১২ তম সংখ্যায় (মার্চ, ২০০৬) ছাপা হয়েছিল। সাক্ষাতকারটি সকলের জন্য বর্তমান ওয়েব ফরম্যাটে পুনরায় প্রকাশ করা হলো।
এই বাড়িটি যেন ধীরে ধীরে এক শান্ত নিশ্বাসের মতো চারপাশ ছুঁয়ে গেছে। বাড়িটির ডিজাইন আধুনিক, কিন্তু এর শিকড় গাঁথা আছে গ্রামবাংলার শান্ত-নির্মল স্মৃতিতে। এটি শুধু একটি স্থাপত্য নয়, বরং শেকড়ের টানে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ - পরিবারকে তাদের শেকড়ের কাছে, দাদিমার কাছে, আর সেই মাটির কাছে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা, যেখানে তাদের শৈশবের প্রথম পদচিহ্ন রয়ে গেছে। যেন তারা কর্তব্যবোধ থেকে নয়, ভালোবাসার টানে ফিরে আসে।
রাজা সীতারাম রায় একজন সার্বভৌম রাজা ছিলেন। রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ এখন প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে কিন্তু এর ভবনের প্রতিটি কোণে বহু বছরের ইতিহাস ধারণ করা আছে। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং বাংলায় স্বল্পকালীন সার্বভৌম হিন্দু আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন।
UAP এর স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষাথীদের সমাপনী প্রকল্পের মধ্য হতে ৩টি নির্বাচিত প্রকল্প এখানে তুলে ধরা হলোঃ
বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর নভেরা আহমেদের শিল্পকর্ম নিয়ে রাজধানী ঢাকায় ০৪ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে এক বিশেষ প্রদর্শনী। ‘নভেরা : Novera’ শীর্ষক এই অনন্য আয়োজনটি স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারীতে। আগামী ২১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০:৩০ টা থেকে বিকেল ৪:৩০ টা পর্যন্ত প্রদর্শনীটি সকল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এই বিশেষ প্রদর্শনীতে নভেরা আহমেদের কালজয়ী ভাস্কর্য, চিত্রকর্ম ছাড়াও তাঁর বর্ণিল শিল্পচর্চার দুর্লভ আলোকচিত্র এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের দ্রব্যাদি প্রদর্শন করা হচ্ছে।