‘ফ্রেমওয়ার্ক’ আর্কিটেকচারাল কনসাল্টেন্টের ‘মেঘরোদ’ প্রকল্পটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়, যা প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মিশে যায় এবং একই সঙ্গে বর্তমানের শহুরে জীবনের প্রয়োজনীয় আরামও নিশ্চিত করে।
‘ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ’ আর্কিটেকচারাল কনসাল্টেন্টের ডিজাইন টিম দ্বারা ডিজাইন করা ‘সোবহানবাগ মসজিদ’ প্রকল্পটি ঢাকার ঘন, উঁচু, ব্যস্ত বাস্তবতার ভেতরেও দাঁড়িয়ে আছে দৃঢ় ও সংযত ভঙ্গিতে - অতীতের স্মৃতি বহন করে, ভবিষ্যতের সম্ভাবনার দিকে তাকিয়ে।
ছয় ভাইয়ের একটি পরিবার, যাদের শিকড় রয়েছে ৩৫ বছর আগে তাদের মায়ের তৈরি পুরনো বাড়িতে। কিছুটা গ্রামীণ আবহ ধরে রেখে সেটির সম্প্রসারণই হলো ‘মায়ের আঁচল’ প্রকল্প।
ভেনিস আর্কিটেকচার বিয়েনালে, বৃহৎ পরিসরে স্থাপত্যকে উপস্থাপন এবং বোঝার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম। এবারের আসরের লক্ষ্য হলো বর্তমান বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে স্থাপত্যের ভবিষ্যৎ নতুনভাবে ভাবা, বিশেষ করে স্থায়িত্ব (সাস্টেইনেবিলিটি) এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থাপত্যের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
‘কালীঘাটের পটচিত্র’ শুধুমাত্র ভারতবর্ষের আরেকটি লোকচিত্র নয়, ভারতের একটি সময়কালের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য সমাজ চিত্র।
নঁওগার কুসুম্বা মসজিদ (বাংলার কালো রত্ন)
হুগো আলভার হেনরিক আ'লটো ছিলেন একজন ফিনিশ স্থপতি এবং ডিজাইনার। তার কাজের মধ্যে রয়েছে স্থাপত্য, আসবাবপত্র, টেক্সটাইল এবং কাচের পাত্রের ডিজাইন, সেইসাথে ভাস্কর্য এবং চিত্রকর্ম।
স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ হারুন উর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে পেশাগতভাবে কাজ করছেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বহু মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন। তার সাথে স্থাপত্য ও নির্মাণের পক্ষ থেকে স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ কে. জেড. হোসেন তৌফিকের এই সাক্ষাৎকারটি পত্রিকার ১২ তম সংখ্যায় (মার্চ, ২০০৬) ছাপা হয়েছিল। সাক্ষাতকারটি সকলের জন্য বর্তমান ওয়েব ফরম্যাটে পুনরায় প্রকাশ করা হলো।
রাজা সীতারাম রায় একজন সার্বভৌম রাজা ছিলেন। রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ এখন প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে কিন্তু এর ভবনের প্রতিটি কোণে বহু বছরের ইতিহাস ধারণ করা আছে। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং বাংলায় স্বল্পকালীন সার্বভৌম হিন্দু আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন।
এর স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষাথীদের সমাপনী প্রকল্পের মধ্য হতে ৩টি নির্বাচিত প্রকল্প এখানে তুলে ধরা হলোঃ
গ্যালারী চিত্রকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে “পরম্পরার খোঁজে বরেন্দ্র ভ্রমণ” শীর্ষক দলগত চিত্র প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনীতে অংশ নেন প্রখ্যাত ১০ জন চিত্রশিল্পী।